টাঙ্গাইলের রসুলপুরে শিক্ষক দম্পতি হত্যা মামলায় আরো এক আসামী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রসুলপুরের বাছিরন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অনিল কুমার দাস ও তার স্ত্রী কল্পনা রানী দাসের হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরো একজনকে মঙ্গলবার বিকেলে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম মোঃ শয়ান মিয়া (৩২)। তিনি সদর উপজেলার সালিনা গ্রামের আমানত আলীর ছেলে।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় মজলুমের কণ্ঠকে জানান, শয়ান মিয়া অনেকদিন ধরে পলাতক ছিল। মঙ্গলবার তিনি বাড়ি আসেন। গোপন সূত্রে এ খবর পাওয়ার পর বিকেলে তাকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ মামলায় এর আগে গ্রেফতার হওয়া রসুলপুর গ্রামের জাহিদুল ইসলাম (৩২) এবং পার্শ্ববর্তী শালিনা গ্রামের মো. ফরহাদ (৩৩) এ হত্যাকা-ের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে গত ১৩ মে আদালতে জবানবন্দি দেয়। সেখানে এই হত্যাকান্ডে শয়ানের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। এছাড়াও এ মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ নিহত শিক্ষক অনিল কুমার দাসের বৈমাত্রেয় ভাই স্বপন কুমার দাস (৪৫) এবং খোকন ভূইয়া (৪৮) ও মঞ্জুরুল ইসলাম মিঞ্জুকে (৩৩) গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই টাঙ্গাইল কারাগারে আছেন।

চাঞ্চল্যকর এই মামলার তদন্ত সহায়ক কমিটির প্রধান টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোঃ আহাদুজ্জামান মজলুমের কণ্ঠকে জানান, শয়ানকে বুধবার আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড চাওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত বছর ২৭ জুলাই রসুলপুর বাছিরন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অনিল কুমার দাস ও তার স্ত্রী কল্পনা রানী দাসের মৃতদেহ তাদের রসুলপুর গ্রামের বাড়ি সেফটি ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর অনিল দাসের ছেলে নির্মল কুমার দাস বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

Related Articles