নারায়ণগঞ্জে ৪ পুলিশকে মারধর, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

ম.কণ্ঠ ডেস্ক : নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় চার পুলিশ সদস্যকে মারধর করা হয়েছে। এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যও আছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ ইয়াবা দিয়ে যুবককে ফাসাঁনোর চেষ্টার অভিযোগে ৪ পুলিশকে মারধর করা হয়। আর পুলিশ বলছে মাদকদ্রব্যের এক আসামি ধরতে গিয়ে পুলিশের সাথে আসামি পক্ষের লোকজনের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে আটটায় উপজেলার ঝাউগড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে রাত ৯টায় আহত চার পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

পুুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে আড়াইহাজার থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কাসেম, সহকারি উপপরিদর্শক মোস্তফা, সহকারি উপপরিদর্শক হেলালসহ ৪ পুলিশ একটি সিএনজি যোগে উপজেলার ঝাউগড়া এলাকায় যায়। এ

সময় অটোরিক্সা চালক রমজান আলীকে মাদকদ্রব্য দিয়ে আটক করে ফাসাঁনোর চেষ্টা করে এবং পুলিশ তাকে মারধর শুরু করে। পুলিশ সদস্যারা স্থানীয় লোকজনের সাথেও অশোভন আচরণ করে। পরে স্থানীয় লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে চার পুলিশকে ধরে মারধর কের। আহত এসএই আবুল কাসেমকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। পুলিশের মারধরে আহত রমজান হোসেন জানান, উপজেলার ঝাউগরা গোরস্তান সংলগ্ন আমার বাড়িতে এসে আমার পকেটে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করে। আড়াইহাজার থানার ওসি এমএ হক মাদক দিযে ফাসাঁনোর চেস্টা অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, আড়াইহাজার থানা পুলিশের চার কর্মকর্তা সিভিল পোষাকে এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালায়।

এ সময় আসামির পক্ষের লোকজনের সাথে পুলিশের তর্কাতর্কি হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, গত বুধবার রাতে ঝাউগড়া এলাকা থেকে এক নারী ওসির মোবাইলে ফোন দিয়ে জানায় রমজানের ঘরে মাদক দব্য রয়েছে। ওসি এম এ হক গত বৃহস্পতিবার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কাসেমকে ওই মোবাইল নম্বরটি দিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিতে বলে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যতা পায়নি। কিন্তু এরইমধ্যে স্থানীয় লোকজনের সাথে পুলিশের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ঝাউগড়া থেকে মহসিন মিয়ার স্ত্রী মুক্তাকে ( ২৪ )৭০ পিছ ইয়াবা ও ৫পুরিয়া হিরোইনসহ গ্রেফতার করে।

Related Articles