ভূঞাপুর-গোপালপুর সড়কের বেহাল দশা!

অভিজিৎ ঘোষ : দীর্ঘদিন যাবৎ ভূঞাপুর-গোপালপুর সড়কের সংস্কার কাজ না করায় বেহাল দশায় পরিণতি হয়েছে সড়কটি। বৃষ্টির পানিতে বিভিন্ন জায়গায় সড়ক ভেঙে গেছে। এছাড়া গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়কে। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ওই সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী যানবাহন ও সাধারন মানুষের। সরেজমিনে গিয়ে সড়কের বেহাল দশার চিত্র দেখা গেছে।

জানা গেছে, উপজেলার টেপিবাড়ী হয়ে গোপালপুর সড়কের এলজিইডির প্রায় ১০কিলোমিটার সড়কে গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন সড়কে সংস্কার কাজ না করায় বৃষ্টি ও বন্যার পানিতে কয়েকস্থানে সড়ক ভেঙে গেছে। এছাড়া এই সড়কের দুইপাশের কার্পেটিং উঠে গিয়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ভূঞাপুর-গোপালপুর সড়কের টেপিবাড়ি মোড় থেকে মাইজবাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১কিলোমিটার সড়ক সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এছাড়া মাইজবাড়ি হতে ফলদা পর্যন্ত সড়কে দুপাশের কার্পেটিং উঠে গিয়ে গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের এমন বেহাল দশায় এলাকাবাসী বার বার উপজেলা এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলেও সড়কটি সংস্কারে কোন উদ্যোগ গ্রহন করেনি। ফলে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনার কবলে পড়ছে যানবাহন। গুরুতর আহত হয়ে পুঙ্গুত্ব বরণ করছে অনেকেই।

সড়কটি দিয়ে যাতায়াতকারী যানবাহন ও স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ সড়কের কোন সংস্কার কাজ হয়নি। ফলে সড়কের কয়েকটি জায়গায় ভেঙে গেছে। এছাড়া বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক সময় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়লে স্থানীয়রা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সড়কের ভেঙে যাওয়া অংশে মাটি ফেলে যানবাহন চলাচলে উপযোগী করলেও পরে বৃষ্টির পানিতে আগের অবস্থার সৃষ্টি হয়। বার বার এলজিইডি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও কোন কাজ হয়নি।

সড়কের বেহাল দশার কথা স্বীকার করে উপজেলা এলজিইডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অনিক সাহা জানান, সড়কের সংস্কার কাজ করার জন্য জেলার এলজিইডির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে। সড়ক সংস্কারের জন্য যে ট্রাকটি দিয়ে কাজ করা হয় সেটি নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে। খুব দ্রুত সড়কের সংস্কার কাজ করা হবে।

Related Articles