গালা-কুইজবাড়ী সড়কের বৈল্যা বাজার সংলগ্ন সেতুর চিত্র

শরিফুল ইসলাম শরিফ : একেতো সরু সেতু। তাতেও সেতুর দুই পাশেই ধসে গেছে ঢালু সড়কের পাড়। মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ভেঙ্গে গেছে একপাশের রেলিং। সেতুটি সরু হওয়ার কারণে রীতিমতোই লেগে থাকে যানজট। মাঝে মাঝেই ঘটছে দুর্ঘটনা। তাছাড়া সেতু সংলগ্ন এলাকার লোকজনের পায়ে হেটে পার হওয়ার জন্য আলাদা কোনো ব্যবস্থা নেই। বিশেষ করে ঝুঁকিতে থাকেন স্কুল পড়–য়া শিক্ষার্থীরা। টাঙ্গাইল পৌরসভাধীন দুই নং ওয়ার্ড এর গালা-কুইজবাড়ী সড়কের বৈল্যা বাজার সংলগ্ন সেতুর চিত্র এটি।এ সেতুটি দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করেন গালা,বাঘিল,মগড়া ইউনিয়নের লোকজন। এছাড়াও সড়ক দিয়ে তিন চাকার যানবাহন চলতে না দেয়ার কারণে কালিহাতী, ভূঞাপুর উপজেলার সিএনজি চালিত অটোরিক্সার চলাচল এ সড়ক দিয়েই। তাই সর্বক্ষণ ব্যস্ত সড়কের এ সেতুটির ওপর ব্যক্তিগত গাড়ি, পিক-আপ, ট্রাকের মতো ভাড়ী গাড়িগুলো উঠলে অপর পাশ থেকে বাইসাইকেলের মতোও ছোট আকারের যানবাহন পার হতে পারেনা। এতে করে সেতুর উভয় পাশেই সৃষ্টি হয় যানবাহনের বিশাল লাইন। বিশেষ করে শনি ও বুধবার বৈল্যা বাজারে হাট বসার কারণে এ যানজট তীব্র রুপ নেয়।গালা-কুইজবাড়ী সড়কে ছোট-বড় মিলিয়ে এরকম প্রায় আটটি সরু সেতু রয়েছে। এর মধ্যে গালা বাজার সংলগ্ন সেতুতেও দেখা মেলে একই চিত্র।

অপরদিকে ঈদ মৌসুমে মহাসড়ক দিয়ে গাড়ির চাপ বেড়ে গেলে অথবা দুর্ঘটনাজনিত কারণে মহাসড়ক বন্ধ থাকলে বিকল্প রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয় এ সড়কটি।

এ সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারি সামি নামের এক শিক্ষার্থী জানান, আমার স্কুল শহরে হওয়ার কারণে প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে যেতে হয়। এ ব্রিজটি চিকন হওয়ায় প্রতিদিনই যানজটের কবলে পরি। এতে করে অনেক সময়ই ক্লাশে পৌঁছাতে দেরি হয়।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা প্রকৌশলী ফারুক হোসেনের সাথে সেল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি কল রিসিভ করেননি। পরে অফিসে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। তার কার্যালয়ে থাকা অপর এক কর্মকর্তা বলেন ‘স্যার সাইটে আছেন’।

Related Articles