গালা ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য সাথী বেগম স্বামীসহ সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য সাথী বেগম ও তার স্বামী শফিকুল ইসলাম সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন।

আহত সাথী এবং তার স্বামী টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জানা যায়, পারিবারিকভাবে টাকা পয়সার জের ধরে ধীর্ঘদিন যাবৎ সাথীর শ্বশুর বাড়ির লোকজনসহ তাদের বাহামভুক্ত লোকদের নিয়ে সাথীর উপর প্রায়ই আক্রমণ এবং বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত।

তারই জের ধরে গত সোমবার (১৩ মে) দুপুরে সাথীর শ্বশুর বাড়ি টাঙ্গাইল সদরের মাগুরাটা গ্রামে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সাবালিয়া গ্রামের মালেক ড্রাইভারের ছেলে সাইদ মিয়া, মাগুরাটা গ্রামের হেলাল উদ্দীনের ছেলে মেহেদী হাসান, সাইদ মিয়ার মেয়ে সিথি আক্তার, সাবানা বেগম, হেলাল উদ্দিনের মেয়ে কল্পনা বেগম, রফিকুল ইসলামের ছেলে সজল মিয়া, এনায়েতপুরের আজিজ মিয়ার ছেলে জাদিত, কালিহাতী উপজেলার সদুপুর গ্রামের জসিম মিয়ার স্ত্রী কোহিনুরসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনের একটি গ্রুপ সাথী ও তার স্বামীর উপর আক্রমণ চালিয়ে তাদের মারধর করে।

এ সময় তাদের উপর দেশীয় অস্ত্রসহ লাঠিসোটা দিয়ে আঘাত করে এবং কিলঘুষি ও চুলের মুঠি ধরে মারপিট করে এবং ধারালো একটি শাবল দিয়ে সাথীর স্বামীকে ব্যাপক আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।

এলাকাবাসী তাদেরকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য (মহিলা) সাথী বাদী হয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ ২জন আসামীকে আটক করেছে বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে এলাকায় এখনও উত্তপ্ত রয়েছে বলে জানা যায়। এদিকে গালা ইউনিয়নে ৭,৮ও ৯নং ওয়ার্ডের মহিলা ইউপি মেম্বার সাথী বেগম ও তার স্বামীর জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

গালা ইউপি চেয়ারম্যান রাজকুমার সরকার তার পরিষদের ইউপি মহিলা মেম্বার সাথী’র উপরে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানান। এ বিষয়ে তিনি পুলিশের সহযোগিতা কামনা করেন।

Related Articles