টাঙ্গাইলে পৃথক তিনটি সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীসহ নিহত ৫

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীসহ ৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৫ জন। রোববার সকালে মির্জাপুর উপজেলা এবং শনিবার রাত ১২টার দিকে ঘাটাইল ও দেলদুয়ার উপজেলায় পৃথক এ ৩টি দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন মির্জাপুর পৌর সদরের বাইমহাটি আদালতপাড়া গ্রামের ফালু মিয়ার ছেলে শরিফুল (৪০), বহুরিয়া ইউনিয়নের চান্দুলিয়া গ্রামের পাখি সিকদারের ছেলে জাহাঙ্গীর (৩৫) ও তার স্ত্রী তাসলিমা বেগম (২৮), ঘাটাইল উপজেলার চারিয়াবাইদ গ্রামের আফসার আলীর ছেলে কালাম মিয়া (৫০) এবং সোরহাব হোসেন (৫০) গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বড় কাঞ্চনপুর গ্রামের সদর উদ্দিন মন্ডলের ছেলে।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অটোরিকশা এবং বাসের মুখোমুখী সংঘর্ষে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। রোববার সকালে উপজেলার কদিম দেওহাটা এলাকার এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার এসআই আব্দুস সামাদ পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, গাজীপুর থেকে ছেড়ে আসা টাঙ্গাইলগামী যাত্রীবাহী বাস উপজেলার কদিম দেওহাটা এলাকার পৌঁছলে একটি অটোরিকশা সাথে মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাসলিমা বেগম নামের এক নারী নিহত হয় এবং নিহতের স্বামীসহ ২ জন আহত হয়। পরে আহতদেরকে উদ্ধার করে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরের দিকে দুইজনের মৃত্যু হয়। পুলিশ ঘাতক বাসটিকে আটক করলেও এর চালক পালিয়ে যায়।

এদিকে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের গারো বাজার এলাকায় মালবাহী একটি ট্রাক ব্যাটারী চালিত অটোভ্যানকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই ভ্যানের যাত্রী কামাল মিয়া নিহত ও ৫ জন আহত হয়। পরে আহত ৫ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত কালাম মিয়া (৫০) উপজেলার চারিয়াবাইদ গ্রামের আফসার আলীর ছেলে।
ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই ফজলুল হক দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে, শনিবার গভীর রাতে দেলদুয়ার উপজেলার মহেড়া সাইবোর্ড এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় সোরহাব হোসেন নামের এক জন নিহত হয়েছেন। বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসকে সাইড দিতে গিয়ে লাকরি ভর্তি ট্রাক খাদে পড়ে যায়। এতে ট্রাকটির উপর ঘুমিয়ে থাকা সোরহাব হোসেন নিহত হয়। নিহত সোরহাব হোসেন (৫০) গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বড় কাঞ্চনপুর গ্রামের সদর উদ্দিন মন্ডলের ছেলে।
নিহত ব্যক্তি ওই ট্রাকের লোড -আনলোডের কাজ করতো বলে দেলদুয়ার থানার এসআই আব্দুল হান্নান পরিবর্তন ডটকমকে জানিয়েছেন।

Related Articles