ছিলিমপুরের সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ২৩ আগস্ট চলনবিলের আলো অনলাইন পত্রিকায় ‘অসত্যের বিরুদ্ধে আপসহীন, মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ইউপিবাসীর কল্যানে কাজ করে যাব’ শিরোনামে যে সাংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। সমাকের কাছে আমাদের হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য ছিলিমপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান সাদেক আলী মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ওই প্রতিবেদককে দিয়ে সংবাদটি প্রকাশ করেছেন। ইতিপূর্বে চেয়ারম্যান সাদেক আলীকে নিয়ে যুগান্তরসহ বিভিন্ন পত্রিকায় দূর্নীতির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এছাড়া যে প্রতিবেদক সংবাদটি পরিবেশন করেছেন তিনি (লাভু খন্দকার) নিজেও তথ্য প্রযুক্তি মামলায় দুইবছর জেল খেটেছেন। ওই সময় তিনি আর হলুদ সাংবাদিকতা করবেন না বলে মুচলেকাও দিয়েছিলেন। কিন্তু দুই বছর পর তিনি জামিনে বের হয়ে আবার হলুদ সাংবাদিকতায় জড়িয়ে পড়েছেন। আমাদের জানামতে তিনি নিজে একজন চাঁদাবাজ। বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন লোকদের সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবি করেন। সাবেক ইউপি সদস্য আমিনুর রহমান প্রতিবাদ লিপিতে বলেন, আসলে আমার এবং আমার ছেলে ও বাতিজাদের জনপ্রিয়তা দেখে বর্তমান চেয়ারম্যান ঈর্ষাণিত হয়ে এই কাজটি করেছে। আমার দুই ছেলে রাজিব ও রবিন, ভাতিজা সাকিল, রাজন, লিটন, আমার ভাই হুমায়ন ও চাচাতো ভাই বীরমুক্তিযোদ্ধা সুয়ায়েত মাস্টারের ছেলে টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের দক্ষ প্রভাষক জাহিদ রানা এবং এলাকার দক্ষ সামাজিক সংগঠক মোঃ আলমগীর সরকার, মাসুদ মোল্লা ও আরিফ মোল্লাকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদি সম্পূর্ণ মনগড়া। চেয়ারম্যান সাদেক আলীর কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা নিয়ে প্রতিবেদক তার মনগড়া সংবাদটি প্রকাশ করেছেন। ভবিষ্যতে মনগড়া সংবাদ প্রকাশের জন্য বিরত থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। অতএব উক্ত সংবাদের আমরা তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।

Related Articles