এবার খুলনাকে হারিয়ে রাজশাহীর জয়

ক্রীড়া প্রতিবেদক

গত ১৭ ডিসেম্বর খুলনার বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করে ১৮৯ করেও ৫ উইকেটে হেরেছিল রাজশাহী। সোমবার রাজশাহী সেই হারের প্রতিশোধ নিলো। বঙ্গবন্ধু বিপিএলে আজ খুলনা টাইগার্সকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে রাসেল-লিটনদের দল। চার ম্যাচ খেলে তিনটিতে জয় পেয়ে রাজশাহী এখন পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। আর ৫ ম্যাচ খেলে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে খুলনা।

এদিন চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে খুলনা টাইগার্সের দেয়া ১৪৬ রানের জয়ের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৮ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় রাজশাহী।

দলের পক্ষে ওপেনার লিটন দাস ৪৪ বলে ৫টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ৫৮ রান করেন। ১৮ বলে ২২ করেন আফিফ হোসেন। ১৯ বলে ২৮ করে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক রাসেল। ৮ বলে ১৩ করে অপরাজিত থাকেন বোপারা। খুলনার বোলারদের মধ্যে শহীদুল ১টি ও ফ্রাইলিঙ্ক ১টি করে উইকেট নেন।

রান তাড়া করতে নেমে লিটন এবং আফিফে ব্যাটে দুর্দান্ত সূচনা করে রাজশাহী। পাওয়ারপ্লে তথা প্রথম ৬ ওভারে বিনা উইকেটে ৬০ রান তোলে তারা। দলীয় ৭৫ রানে রান আউট হন আফিফ। ১২তম ওভারে দলীয় ৯৪ রানে ফিরে যান লিটন।

এরপর রাসেল-মালিক জুটিতে এগোতে থাকে রাজশাহী। দলের রান যখন ১১৭ তখন বিদায় নেন মালিক। তারপর রাসেল ও বোপারা জুটি বেঁধে ম্যাচ শেষ করে মাঠ ছাড়েন।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শামসুর রহমানের হাফ সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৪৫ রান করে খুলনা টাইগার্স। ৪৬ বলে ৫৫ রান করেন শামসুর। ২৪ বলে ৩৫ করেন রুশো। ২৬ বলে ৩১ করেন ফ্রাইলিঙ্ক। রাজশাহীর অধিনায়ক আন্দ্রে রাসেল একাই নেন ৪টি উইকেট। এছাড়া কামরুল ইসলাম রাব্বী ২টি, রবি বোপারা ২টি ও আফিফ ১টি করে উইকেট নেন।

খুলনা ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে। আন্দ্রে রাসেলের করা ইনিংসের প্রথম ওভারেই ফিরে যান দুই ওপেনার গুরবাজ ও মিরাজ। গুরবাজ ৪ রান করলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি মিরাজ।

পঞ্চম ওভারে পরপর দুই বলে দুই উইকেট হারায় খুলনা। রাব্বীর করা এই ওভারের দ্বিতীয় বলে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ হন মুশফিকুর রহিম। ১২ বল খেলে মাত্র ১ রান করেন তিনি। তৃতীয় বলে এলবিডব্লিউ হন শান্ত।

ভরসা ছিল রুশোকে নিয়ে। কিন্তু তিনি বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ২৪ বলে ৩৫ করে বিদায় নেন তিনি। এরপর ৬৭ রানের জুটি গড়েন শামসুর ও ফ্রাইলিঙ্ক। ১৮তম ওভারে আফিফের দুর্দান্ত ক্যাচে ফিরতে হয় শামসুরকে। ওই ওভারেই আউট হন শহীদুল। শেষ ওভারে বোপারার শিকার হন ফ্রাইলিঙ্ক ও আমির।

(এম কন্ঠ/আর.কে/২৪ডিসেম্বর)

সংবাদটি শেয়ার করুন

Related Articles