আজ নয় কাল ফাগুন

আজ নয় কাল ফাগুন

নিউজ ডেস্ক:

নতুন সংশোধিত বর্ষপঞ্জিতে পহেলা ফাল্গুন ১৩ নয়, ১৪ ফেব্রুয়ারিতে। কিন্তু অনেকেই জানেন না এই পরিবর্তনের খবর। দীর্ঘদিন ধরে ইংরেজি ১৩ ফেব্রুয়ারিকে যারা পহেলা ফাল্গুন হিসেবে উদযাপন করে আসছেন, তাদের অনেকেই বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সকাল বের হয়েছেন বাসন্তী সাজে।

বসন্তের প্রধান উৎসব হয় চারুকলায়। সে অনুযায়ী চারুকলার সামনে বাসন্তী সাজে ভিড় জমে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ ও শিশুদের। কিন্তু তাদের খটকা লাগে কোনও আয়োজন না দেখে।

তেমনই এক পরিবার আকিব রহমানের। স্ত্রী-কন্যাসহ বাসন্তী রঙে সেজে এসে শোনেন আজ পহেলা ফাল্গুন না।  তিনি বলেন, ‘সেই ছোটবেলা থেকে জানি ১৩ ফেব্রুয়ারি পহেলা ফাল্গুন। আজ এসে শুনি দিনটি নাকি বদলে গেছে। বদলে যাওয়ার বিষয়টি বেশি শেয়ার করা হলে, হয়তো আমাদের এই হয়রানি হতে হতো না।’ বাসন্তী আর নীল রঙের জামায় ঝলমলে রোদ্দুরেও তার কন্যার মন খারাপ, জানালেন আকিব রহমান।

নতুন সংশোধিত বর্ষপঞ্জিতে পহেলা ফাল্গুন ১৩ নয়, ১৪ ফেব্রুয়ারিতে। কিন্তু অনেকেই জানেন না এই পরিবর্তনের খবর। দীর্ঘদিন ধরে ইংরেজি ১৩ ফেব্রুয়ারিকে যারা পহেলা ফাল্গুন হিসেবে উদযাপন করে আসছেন, তাদের অনেকেই বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সকাল বের হয়েছেন বাসন্তী সাজে।

বসন্তের প্রধান উৎসব হয় চারুকলায়। সে অনুযায়ী চারুকলার সামনে বাসন্তী সাজে ভিড় জমে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ ও শিশুদের। কিন্তু তাদের খটকা লাগে কোনও আয়োজন না দেখে।

তেমনই এক পরিবার আকিব রহমানের। স্ত্রী-কন্যাসহ বাসন্তী রঙে সেজে এসে শোনেন আজ পহেলা ফাল্গুন না। তিনি বলেন, ‘সেই ছোটবেলা থেকে জানি ১৩ ফেব্রুয়ারি পহেলা ফাল্গুন। আজ এসে শুনি দিনটি নাকি বদলে গেছে। বদলে যাওয়ার বিষয়টি বেশি শেয়ার করা হলে, হয়তো আমাদের এই হয়রানি হতে হতো না।’ বাসন্তী আর নীল রঙের জামায় ঝলমলে রোদ্দুরেও তার কন্যার মন খারাপ, জানালেন আকিব রহমান।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কাল ভালোবাসা দিবস এবং পহেলা ফাল্গুন একসঙ্গে পালন করা হবে। তারপরেও আজ অনেকে বের হয়েছি। আমিও আসলাম।’

এছাড়া ক্যাম্পাসে অনেককে হলুদ শাড়ি এবং হলুদ পাঞ্জাবি পরে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে।

এই বিভ্রান্তির বিষয়ে শিক্ষাবিদ রফিকুল ইসলাম মনে করেন, যে কোনও ধরনের কনফিউশন না রাখাটা জরুরি। তিনি  বলেন, ‘বাংলা ক্যালেন্ডার এবং পঞ্জিকা দুই ধরনের তথ্য দেওয়ায় সবসময়ই বিশেষ দিনগুলোকে নিয়ে কনফিউশন তৈরি হয়েছে। ফলে সেই কনফিউশন ঘোচাতে যদি এক জায়গায় আনার কোনও প্রক্রিয়া হয়, সেটিকে আমাদের স্বাগত জানানো উচিত। একটু সময় লাগবে, কিন্তু আমরা অভ্যস্ত হয়ে উঠবো।’

(মজলুমের কণ্ঠ/১৩ ফেব্রুয়ারি/আর.কে)

সংবাদটি শেয়ার করুন

Related Articles