টাঙ্গাইলে সব কেন্দ্রে ৩ ,এক কেন্দ্রে ১নং সেটে পরীক্ষা

টাঙ্গাইলে সব কেন্দ্রে ৩ ,এক কেন্দ্রে ১নং সেটে পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সারাদেশে সোমবার থেকে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার শুরু হয়েছে। এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সারাদেশে অভিন্ন থাকার কথা থাকলেও টাঙ্গাইলের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভুলবসত ভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষার প্রশ্ন পত্র টাঙ্গাইলের সবকেন্দ্রে ৩ (সোয়াত) নং সেটের প্রশ্ন পত্র দেওয়া হয়। কিন্তু এই কেন্দ্রটিতে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে ১ (কাশ্মীর) নং সেটের প্রশ্ন পত্র দিয়ে। এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। পরীক্ষা শেষে বিষয়টি জানতে পেরে পরীক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের বাহিরে বিক্ষোভ করে। এতে তোপের মুখে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও তথ্য প্রযুক্তি) বজলুর রশিদ জানতে পেরে তাৎক্ষনিক কেন্দ্রে এসে পরীক্ষার উত্তর পত্র এই প্রশ্ন পত্রের আলোকে মূলায়ন হবে বলে আশস্ত করায় পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভ বন্ধ করে।

জানা যায়, বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ও সৃষ্টি শিক্ষা পরিবারের মোট ৯০৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। প্রত্যেকেই ১ (কাশ্মীর) নং সেটের প্রশ্ন পত্র পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে।

বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নিগার সুলতানা বলেন, আমার স্কুলে আমরা যে কয়জন দায়িত্বে ছিলাম সকলে এক নম্বর সেটের ম্যাসেজ পেয়েছি। সেই এক নং সেটের প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও তথ্য প্রযুক্তি স্যার এসে পরিদর্শন করেছেন। বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্মকর্তাসহ বোর্ডে জানানো হয়েছে। আশা করি শিক্ষার্থীদের কোন সমস্যা হবে না।

এ বিষয়ে কেন্দ্র সচিব ও বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল করিম বলেন, বিন্দুবাসিনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, ট্যাগ অফিসারসহ সকলের সমন্বয়ে ভুলটি হয়েছে। তবে উর্দ্ধতন কর্মকর্তার সাথে কথা হয়েছে আশা করি শিক্ষার্থীদের কোন সমস্যা হবে না।

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানম বলেন, জেলায় ৭৯ কেন্দ্রে ৪৫ হাজার ৫৪২ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। তার মধ্যে শহরের বিন্দুবাসিনী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১ নং সেটে যে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। তা ঠিক হয়নি। এটা শিক্ষকদের গাফলতি। যত ঝামেলাই থাক গুরত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করা উচিৎ ছিলো।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও তথ্য প্রযুক্তি) বজলুর রশিদ বলেন, এ বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্মকর্তার সাথে কথা হয়েছে। আশা করছি শিক্ষার্থীদের কোন সমস্যা হবে না। বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্রের পরীক্ষার উত্তর পত্র এই প্রশ্ন পত্রের আলোকে মূলায়ন হবে।

(মজলুমের কণ্ঠ/৩ ফেব্রুয়ারি/আর.কে)

সংবাদটি শেয়ার করুন

Related Articles