টাঙ্গাইলে ওএমএস এর চাল-আটার চাহিদা বেড়েছে

টাঙ্গাইলে ওএমএস এর চাল-আটার চাহিদা বেড়েছে

এসএম আওয়াল মিয়া:

করোনাকালে টাঙ্গাইলের কর্মহীন মানুষের মাঝে ওএমএস এর চাল-আটার চাহিদা বেড়েছে। পৌর এলাকার ১৪টি ওএমএস কেন্দ্র রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বৈল্লা তালতলা ,বেবীস্ট্যান্ড,পুরাতন বাসস্ট্যান্ড,দিঘুলীয়া ওএমএস কেন্দ্রে দেখা যায়, কর্মহীন সাধারণ মানুষের ভীর। এ ভীর সামলাতে ডিলাররা হিমশিম খাচ্ছে। প্রতিটি ওএমএস কেন্দ্রে সপ্তাহে ৩ দিন চাল ও আটা বিক্রি করা হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে প্রতিদিন ১টন চাল ও ১ টন আটা সুলভ মুল্যে বিক্রি করা হয়। প্রতি কেজি চাল ধরা হয় ৩০ টাকা ও আটা ১৮ টাকা। প্রতিজন ৫ কেজি করে আটা ও চাউল নিতে পারে। দিঘুলীয়া ওএমএস কেন্দ্রে দেখা যায় চাল ও আটা নিতে আসা মানুষের উপছে পড়া ভীর। এই ভীরকে সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে ডিলার। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে ডিলার ক্রেতাদের আটা ও চাউল দিচ্ছে।

কেন্দ্রে চাল আটা নিতে আসা শুকচান বেগম জানান, করোনাকালীন সময়ে আমারা উপার্জনহীন হয়ে পড়েছি।এসময় সুলভ মূল্যে আটা ও চাল পেয়ে উপকৃত হচ্ছি। তবে এর পরিমান আরও বেশি হলে আমরা পরিবার নিয়ে বাঁচতে পারবো। অপরদিকে সালাম জানান সরকারের এ কর্মসূচি এ সময় কর্মহীন মানুষের মধ্যে অনেকটা লাঘব হচ্ছে। এ কর্মসূচি আরও প্রসারিত হলে গরিব দুখি মানুষ সুবিধা ভোগ করতে পারবে।

ডিলার আরিফ হোসেন জানান, এ কেন্দ্রে ওএমএস এর চাল আটার চাহিদা প্রচুর রয়েছে। প্রতিদিনই মানুষ এ চাল ও আটা ক্রয়ের জন্য ভীর করছে। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চাল ও আটা বিক্রি করছি। সার্বক্ষণিক জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুলভ মুল্যেও চাল আটা বিক্রির তদারকি করছেন।

(মজলুমের কণ্ঠ / ১৫ অক্টোবর /আর.কে)

সংবাদটি শেয়ার করুন

Related Articles