পুলিশ দেখেই মাস্কহীনদের পালানোর চেষ্টা!

অভিজিৎ ঘোষ :

মাস্ক কারো পকেটে, কারো মুখের থুতনিতে আবার কেউ কেউ ম্যাজিস্ট্রেট-পুলিশ দেখেই চট করে দোকান থেকে মাস্ক কিনে মুখে পড়ছে। করোনাভাইরাস সংক্রমনরোধে মানুষের মধ্যে তেমন সচেতনতা দেখা যায়নি। মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানা মোড় এলাকায় মাস্ক ব্যবহারে সচেতনতা ও মাস্ক পড়তে বাধ্য করতে ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ দেখে অনেকেই পালানোর চেষ্টা করেন।

এসময় অভিযান চালিয়ে ২২জনকে ২ হাজার ৭৫০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. আসলাম হোসাইন। এসময় প্রায় ১৫জনকে দোকান থেকে মাস্ক কিনে তা জনসাধারণের মাঝে বিতরণের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।

জানা গেছে, করোনাভাইরাস সংক্রমনরোধে সরকারি নির্দেশনা মানতে ভূঞাপুর থানা মোড় এলাকায় পুলিশের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় মুখে মাস্ক না পড়ে হাট-বাজারে ঘুরাফেরার দায়ে ২২জনকে বিভিন্ন অঙ্কে জরিমানা করা হয়। এছাড়া অনেককেই দোকান থেকে মাস্ক কিনে সেগুলো জনসাধারণের মাঝে বিতরণ করার নির্দেশ দেয়া হয়। এসময় মুখে মাস্ক না থাকায় অনেকেই ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ দেখে পালানোর চেষ্টা করেছেন।
ভূঞাপুর থানা মোড় ওষুধ মার্কেটের ব্যবসায়ীরা বলেন, থানা মোড় এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত হচ্ছে দেখে যারা মাস্ক ছাড়া বেড়িয়েছেন তারা মাস্ক কিনছেন। এসময় ওষুধ বিক্রির চেয়ে মাস্ক বিক্রিই বেশি হয়েছে।

ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আসাদুল ইসলাম বাবুল বলেন, করোনাভাইরাসরোধে প্রশাসনকে আরো কঠোর হতে হবে। শুধু জরিমানা করে মানুষকে সচেতনতা করা যাবে না। আইন অমান্যকারীদের জেল-জরিমানার পাশাপাশি নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করতে হবে।

উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসলাম হোসাইন বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমনরোধে জনসাধারনকে সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। অনেকেই মাস্ক পড়েছে তবে তা থুতনির নিচে। ভ্রাম্যমান আদালত হচ্ছে দেখেই অনেকেই পকেট থেকে মাস্ক মুখে পড়ছেন। অভিযান পরিচালনা করে ২২জনকে বিভিন্ন অঙ্কে জরিমানা করা হয়েছে।

(মজলুমের কণ্ঠ / ১ ডিসেম্বর /আর.কে)

সংবাদটি শেয়ার করুন

Related Articles