আজ সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী

অনলাইন ডেস্ক:

১৯৫২ সালের প্রথম দিনে ময়মনসিংহ শহরে জন্ম সৈয়দ আশরাফ মৃত্যু বরণ করেন ২০১৯ সালে ৩রা জানুয়ারি। রাজনীতিতে সততা নিষ্ঠা ও আদর্শের উজ্জলতার প্রতিচ্ছবির নাম ভাটির জেলা কিশোরগঞ্জের সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান সংগঠক, যুদ্ধকালীন সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, জাতীয় চার নেতার অন্যতম সৈয়দ নজরুল ইসলামের বড় ছেলে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। ময়মনসিংহ শহরেই কেটেছে সৈয়দ আশরাফের শৈশব।

বাবা সৈয়দ নজরুলের রাজনৈতিক পদচারণ দেখতে দেখতেই রাজনীতির হাতেখড়ি তার। শুরু ছাত্রলীগ দিয়ে। বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পরে হন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের প্রচার সম্পাদক।

মুক্তিযুদ্ধের সময় তরুণ সৈয়দ আশরাফ দেশের জন্য হাতে অস্ত্র তুলে নেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ৩রা নভেম্বর খুনীরা জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে। এরপর সৈয়দ আশরাফ লন্ডনে চলে যান। সেখানে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ছিলেন কমিনিউটি যুবলীগের সদস্য।  বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনেও যুক্ত হন তিনি।

৯৬ সালে সপ্তম সংসদ নির্বাচন দিয়ে শুরু, এরপর প্রতিবারই তাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছে কিশোরগঞ্জের মানুষ। ২০০৭ এ জারি হয় জরুরি অবস্থা। শুরু হয় ধরপাকড়। বন্দি হন শেখ হাসিনাসহ দেশের জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবদরা। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সাথি হয়ে দলের হাল ধরেন সেই দু;সময়ে।

২০১৩ সালের ৫ই মে যখন সাম্প্রদায়িক হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডব চলে তখন জাতি দেখতে পায় একজন দৃঢ়চেতা নেতা। তিনি সৈয়দ আশরাফ। তার কঠোর অবস্থানে হেফাজত পিছু হটতে বাধ্য হয়।

ঐতিহ্যবাহী আওয়ামীলীগের টানা দ্বিতীয় বার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি। ছিলেন মন্ত্রিসভারও সদস্য। ‘আওয়ামী লীগ একটি অনুভূতির নাম’- সততার সাথে রাজনীতি করে যাওয়া সৈয়দ আশরাফের এ মন্তব্য এখনো দলের প্রতিটি কর্মীকে নাড়া দেয়।

(মজলুমের কণ্ঠ / ০৩ জানুয়ারি / আর.কে.)

সংবাদটি শেয়ার করুন

Related Articles